গ্রামে এখন ছোট পশুপালকের পাশাপাশি বড় ডেয়ারি ফার্মও আছে। এমন ফার্মে রোজের কাজ চলে টুল দিয়ে: জলের বাটি, দুধ পরীক্ষার প্লেট, বাছুরের কম্বল, গরুর ব্রাশ। ফার্মের মালিক এমন একজন সাপ্লায়ার চান, যিনি ফার্মে মাল পৌঁছে দেন।
ফার্ম সাপ্লাইয়ে আপনি ক্রেতার কাছে যান
দোকানে ক্রেতা আপনার কাছে আসেন। ফার্ম সাপ্লাইয়ে আপনি ক্রেতার কাছে যান। ডেয়ারির মালিক বা ম্যানেজার কাজ ফেলে শহরে যেতে চান না। তিনি ফোনে অর্ডার দেন আর ফার্মেই মাল চান। যে সাপ্লায়ার এটা করেন, ফার্ম প্রতি মাসে তাঁর কাছ থেকেই কেনে।
তাই শুরু করতে বড় দোকান লাগে না। একটা গুদামঘর, একটা বাইক বা ছোট গাড়ি আর ফার্মের একটা তালিকাই যথেষ্ট। আপনার যদি আগে থেকেই দোকান থাকে, সেটাই আপনার ঘাঁটি হবে।
ডেয়ারি ফার্মের কী লাগে
ফার্মের কাজ কয়েকটা ভাগে ভাগ হয়। প্রতিটা ভাগের নিজের সরঞ্জাম আছে:
- জল। গরুর জলের বাটি আর স্টেইনলেস অটোমেটিক জলের বাটি থাকলে পশু যখন খুশি জল খায়। নতুন শেডে একসঙ্গে অনেক বাটি বসে।
- দুধের পরিচ্ছন্নতা। ম্যাস্টাইটিস টেস্ট প্যাডল ম্যাস্টাইটিস আগেভাগে ধরে ফেলে। টিট প্লাগ-ও ডেয়ারির রোজের জিনিস।
- আরাম আর পরিষ্কার। স্ক্র্যাচ ব্রাশ দেয়ালে লাগানো থাকে আর গরু নিজেই গা ঘষে। বড় ফার্মে মোটর গরুর ব্রাশ-ও বসানো হয়।
- বাছুর। শীতের জন্য বাছুরের কম্বল, দুধ ছাড়ানোর জন্য কাফ উইনার।
- ধরা আর চেনা। অ্যান্টি-কিক বার, কানের ট্যাগ আর লেগ ব্যান্ড।
- খুর। হুফ নাইফ, নিপার আর র্যাস্প, যা প্রতিটা ফার্মের কোনো না কোনো সময় লাগে।
পুরো রেঞ্জ আছে ডেয়ারি পেজে আর লাইভস্টক পেজে।
কাগজ আর টাকা
ডেয়ারি ফার্ম প্রায়ই GST বিল চায়, বিশেষ করে বড় ফার্ম আর গোশালা ট্রাস্ট। তাই আগে GST রেজিস্ট্রেশন করান। ক্যাটালগের জন্য আমাদের WhatsApp-এ মেসেজ করুন। আপনার প্রয়োজনীয় পণ্যের নাম বা SKU পাঠান। আমাদের বিক্রয় দল আপনাকে ফোন করে দাম জানাবে এবং আপনার অর্ডার নিশ্চিত করবে। দোকান খুললে রাজ্যের শপ অ্যান্ড এস্টাবলিশমেন্ট রেজিস্ট্রেশন নিন। উদ্যম রেজিস্ট্রেশন বিনামূল্যে হয় আর ব্যাঙ্ক লোনে সাহায্য করে। নিয়ম রাজ্য অনুযায়ী বদলায়, তাই একবার CA-র সঙ্গে মিলিয়ে নিন।
টাকা দেখানোয় নয়, স্টকে দিন। A2Z-এর পরামর্শ, প্রায় এক লাখের প্রথম স্টক। আর একটা কথা মনে রাখুন। বড় ফার্ম কখনো কখনো ধারে মাল চায়। শুরুতে ধার কম রাখুন। আগে ক্রেতার বিশ্বাস জিতুন, তারপর ধারের কথা বলুন।
ফার্মের ক্রেতা কীভাবে পাবেন
- আপনার জেলার ফার্মের তালিকা বানান। ডেয়ারি সমিতি, AI টেকনিশিয়ান আর খাবারের ডিলার আপনাকে নাম দেবেন। কোন গ্রামে নতুন শেড হয়েছে, তাঁরা জানেন।
- আগে নতুন ফার্মে পৌঁছান। নতুন শেডে একসঙ্গে অনেক সরঞ্জাম লাগে: বাটি, ব্রাশ, অ্যান্টি-কিক বার, ট্যাগ। যে সাপ্লায়ার তখন পৌঁছান, তিনিই থেকে যান।
- গোশালার সঙ্গে দেখা করুন। গোশালায় অনেক পশু থাকে আর সারা বছর সরঞ্জাম লাগে। ট্রাস্ট শুধু বিশ্বাসেই সাপ্লায়ার বদলায়, তাই একাধিকবার যান।
- পশু ডাক্তারের সঙ্গে কাজ করুন। ডাক্তার ফার্মে যান আর কী বসাতে হবে বলেন। তাঁকে আপনার তালিকা দিন।
- ফার্মের মালিককে WhatsApp-এ ছবিসহ আপনার তালিকা পাঠান। মাসে একবার জিজ্ঞেস করুন কী ফুরিয়েছে।
কোন মরসুমে কী বিক্রি হয়
- গরমের আগে জলের বাটি আর গামলা। গরমে পশু বেশি জল খায় আর ফার্ম নতুন বাটি বসায়।
- শীতের আগে বাছুরের কম্বল। উত্তর ভারতের শীতে সদ্য জন্মানো বাছুরের কষ্ট সবচেয়ে বেশি।
- বিয়ানোর মরসুমে বিয়ানোর দড়ি, কাফ পুলার আর বাছুরের সরঞ্জাম। আপনার এলাকায় মহিষের বিয়ানোর মরসুম কখন, ডাক্তারবাবুকে জিজ্ঞেস করুন।
- বর্ষায় খুরের রোগ বাড়ে। তখন খুরের টুলের চাহিদা থাকে।
আপনার এলাকা আর তার পশু বুঝুন
হরিয়ানা, Punjab আর পশ্চিম উত্তরপ্রদেশ-তে মহিষ আর গরু দুটোই আছে। সেখানে অ্যান্টি-কিক বার আর দুধের সরঞ্জাম বিক্রি হয়। Gujarat আর Rajasthan-এ Gir আর দেশি জাতের গোশালা বেশি। সেখানে স্ক্র্যাচ ব্রাশ, জলের বাটি আর বাছুরের সরঞ্জাম বিক্রি হয়। যেখানে ডেয়ারিতে HF আর Jersey-র মতো বিদেশি জাত থাকে, সেখানে দুধের পরিচ্ছন্নতার সরঞ্জাম বেশি বিক্রি হয়। আগে আপনার জেলার ফার্ম দেখুন, তারপর স্টক ঠিক করুন।
ফার্মকে অনেক দিন কীভাবে ধরে রাখবেন
ফার্ম এক বারের ক্রেতা নয়। প্রতিটা ফার্মের একটা ছোট হিসাব রাখুন: কত পশু, কী কিনেছে, কবে। তাহলে জানবেন কবে বাটি বদলাতে হবে আর কবে ট্যাগ ফুরোবে। অর্ডার আসার আগেই ফোন করুন। প্রতিটা টুল কীভাবে ব্যবহার করতে হয় দেখান। ফার্মের কর্মীদের আমাদের গাইড পাঠান, যেমন অ্যান্টি-কিক বার কীভাবে লাগাবেন। যে সাপ্লায়ার ফার্মের সমস্যা বোঝেন, ফার্ম তাঁকে ছাড়ে না।
মার্জিন নিয়ে কীভাবে ভাববেন
ফার্ম সাপ্লাইয়ে মার্জিন রেট থেকে কম, অর্ডারের সাইজ থেকে বেশি আসে। বড় ফার্ম একসঙ্গে কয়েক কার্টন নেয়। রেট আপনি নিজেই ঠিক করেন। তাতে ডেলিভারি আর আপনার সময় যোগ করুন। ফার্ম সস্তা সরঞ্জাম চায় না। সে চায় ঠিক সময়ে ঠিক সরঞ্জাম।
A2Z থেকে কীভাবে স্টক নেবেন
A2Z Livestock নিজের IEC-তে ডেয়ারি আর পশুপালনের সরঞ্জাম সরাসরি ইমপোর্ট করে। মাল তৈরি থাকে আমাদের গোডাউনে, ভটগাঁও, সোনিপত (হরিয়ানা)-তে। বড় ফার্ম অর্ডার দিলে আপনাকে মালের জন্য সপ্তাহের পর সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হয় না।
- ন্যূনতম অর্ডার এক কার্টন।
- এলাকা খোলা। যে কোনো জেলা বা রাজ্যের ফার্মে মাল দিন।
- কোনো জয়েনিং ফি নেই। বিক্রির পুরো মার্জিন আপনার।
- ক্যাটালগের জন্য আমাদের WhatsApp-এ মেসেজ করুন। আপনার প্রয়োজনীয় পণ্যের নাম বা SKU পাঠান। আমাদের বিক্রয় দল আপনাকে ফোন করে দাম জানাবে এবং আপনার অর্ডার নিশ্চিত করবে। এখনও না থাকলে আমাদের ফোন করুন, আমরা পথ দেখাব।
আপনার এলাকায় কেমন ফার্ম আছে আমাদের বলুন। সেই অনুযায়ী আমরা প্রথম মিশেল বেছে দিই। এখানে এনকোয়ারি পাঠান অথবা নিজের ব্যবসা শুরু করুন পেজটা পড়ুন।
সাধারণ প্রশ্ন
ডেয়ারি সরঞ্জাম সাপ্লাই করতে কি দোকান লাগে?
না। ফার্ম সাপ্লাই একটা গুদামঘর আর একটা গাড়ি দিয়েই চলে। ক্রেতা ফার্মে থাকেন, দোকানে নয়।
আপনারা কি দুধ দোয়ানোর মেশিন দেন?
A2Z হাতের টুল আর ফার্মের সরঞ্জাম রাখে, যেমন জলের বাটি, ব্রাশ, অ্যান্টি-কিক বার আর দুধ পরীক্ষার প্লেট। পুরো তালিকা দেখুন ডেয়ারি পেজে।
বড় ফার্ম ধার চাইলে কী করব?
শুরুতে ধার কম রাখুন। দুই-তিনটে অর্ডারের পর বিশ্বাস তৈরি হলে ঠিক করুন কত ধার দেবেন।
কীভাবে অর্ডার দেব?
ক্যাটালগের জন্য আমাদের WhatsApp-এ মেসেজ করুন। আপনার প্রয়োজনীয় পণ্যের নাম বা SKU পাঠান। আমাদের বিক্রয় দল আপনাকে ফোন করে দাম জানাবে এবং আপনার অর্ডার নিশ্চিত করবে।
Livestock




